জনতার পত্রিকা :
সরকারের বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে সব বৈধ আগ্নেয়াস্ত্র জমা পড়েনি। জমা না পড়া অস্ত্রের সংখ্যা ছিল ২০ হাজার । ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করার অংশ হিসেবে লাইসেন্সকৃত এসব জমা দিতে ৩১ জানুয়ারি-২০২৬ পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছিল।
পুলিশ সদর দপ্তর সূত্র জানায়, সারা দেশে ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নামে ৫৩ হাজার ৭০২টি আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ব্যক্তির নামে ৪৮ হাজার ২৮৩টি, আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নামে ৪ হাজার ৮৫৪টি এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে ৫৬৫টি। এর মধ্যে শুধু ব্যক্তির নামে লাইসেন্স করা অস্ত্র জমা দিতে বলা হয়েছিল।
তবে সরকারের বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে (৩১ জানুয়ারি-২৬ ) দেশের বিভিন্ন থানায় ২৭ হাজার ৯৯৫টি বৈধ বা লাইসেন্স করা অস্ত্র জমা পড়ে। ২০ হাজার ২৮৮টি অস্ত্র এখনো জমা পড়েনি। আদেশ লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইন ১৮৭৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে বলা হলেও এ পর্যন্ত কোন পদক্ষেপ নেয়া হয়নি।
এ ছাড়াও দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল , চরমপন্থী,সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী ও বিছিন্নবাদী পাহাড়ীদের কাছে আরো ৫০ হাজারেরও বেশী অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র থাকতে পারে বলে অপরাধ বিশেষজ্ঞদের ধারণা । এ সব আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা জরুরী হয়ে পড়েছে। কারণ প্রতিনিয়িত চরমপন্থী,সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক দলের কর্মীরা অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে খুন,চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালিয়ে দেশে অরাজকতা সৃষ্টি করছে ।
এ সব অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র দ্রুত উদ্ধার করার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাংবাদিক সংস্থা’র সভাপতি জনাব শামসুল আলম স্বপন ।