নোয়াখালীর চাটখিলে সরকারি খাস জায়গায় গড়ে ওঠা একটি বেদেপল্লীর ছোট্ট ঘর থেকেই নাকি পরিচালিত হচ্ছিল ভয়ংকর মাদক সাম্রাজ্য। বাইরে থেকে সাধারণ কুঁড়েঘর মনে হলেও ভেতরে ছিল এসি, নজরদারির জন্য সিসিটিভি ক্যামেরা, ইলেকট্রিক শক যন্ত্র এবং ইয়াবা সেবনের নানা সরঞ্জাম!
পুলিশের অভিযানের আগেই মূল অভিযুক্ত ববিতা আক্তার সুমাইয়া পালিয়ে গেলেও অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করা হয়েছে ইয়াবা, সিসিটিভি সরঞ্জাম ও অন্যান্য আলামত। স্থানীয়দের দাবি, বহুদিন ধরেই প্রকাশ্যে চলছিল এই মাদক ব্যবসা। এমনকি প্রযুক্তি ব্যবহার করে আগে থেকেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গতিবিধির খবর পেয়ে যেত চক্রটি।
পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে রয়েছে একাধিক মাদক মামলা এবং তাকে ধরতে মাঠে কাজ করছে একাধিক টিম। এখন প্রশ্ন, একটি ঝুপড়ি ঘরকে ঘিরে কীভাবে তৈরি হলো এত বড় মাদক নেটওয়ার্ক? আর কারা রয়েছে এর পেছনে?