: শামসুল আলম স্বপন :
জামাতের অপকর্ম ঠেকাতে হিমশিম খাচ্ছে দেশের জনগণ। হযরত লুৎ (আ,) এর জামানার মত প্রতিদিন জামাত নেতারা পবিত্র মাদ্রাসা, মসজিদে বলাৎকার ও ধর্ষণ করে ধরা খাচ্ছে তারপরও থেমে নেই তাদের জঘন্য কাজকর্ম । আসলে জামাতিদের লজ্জা শরমের বালাই নেই বলে মনে হয়।
এত কিছুর পরও তাদের নেতার বক্তব্য “তোমরা বলতেই থাকবা আমরা করতেই থাকবো” । শযতানও এদের কর্মে লজ্জ্বিত । এদের নারী নেত্রীদের কথা শুনলে মনে হয় ওরা দৌলতদিয়ার সর্দানী। ওদের রক্ষা করার জন্য আমির হামজা আর সোলাইমানদের মত কুলাঙ্গাররা তো আছেই। বলাৎকারী ও ধর্ষকের পক্ষে ওরা হাদিস বানিয়ে ফেলে রাতারাতি। তাতে ওরা নবী,রাসুল, সাহাবাদের অপমান করতেও দ্বিধা করে না কখনো। । সাবেক জামাত নেতা মাওলানা ছামসুল হক ফরিদপুরীর “ভুল সংশোধন” বই টি পড়লে জামাতের অপকর্ম সর্ম্পকে জানাতে পারবেন বিস্তারিত ।
আপনাকে এটা মানতেই হবে যে, জামাত কখনো হকের মান দন্ড হতে পারে না। আপনি জামাত করেন মানে আপনি ইসলাম থেকে অনেক দুরে আছেন । এতে সন্দেহ নেই। আপনি জামাত করছেন মানে আপনি ইসলামের নামে প্রতিনিয়িত ভন্ডামী করছেন।
জামাত ইসলামের নিগুড় তত্ব শিক্ষা দেয়না বরং আপনাকে কৌশলে প্রকৃত ইসলাম থেকে বের করে দেয়। ইসলামী সঠিক জ্ঞান থাকলে কোন এক সময় আপনি বুঝতে পারবেন তখন আপনার ঈমান আমল সব শেষ । সারা জীবন জামাতের শোনা কথায় ঢোলের বাড়ি দিয়ে যাবেন। হারাবেন ঈমান আমল, হবেন জাহান্নামী।
ইসলামী দল মানে আপনাকে ইসলামের প্রতি উদ্বুদ্ধ করবে। ইসলাম দিয়ে আপনার পুরো জীবন ঢেলে সাজাবে আর আপনি জামাত করলে তাদের পক্ষে প্রথম আপনার মগজ ধোলাই করবে । তারপর ইসলাম থেকে বের করে দিবে আপনার অজান্তেই।
আচ্ছা ধরুন আপনি জামাত করেন। এখন আপনি আপনার নিজের দিকে তাকান যে, আপনি কতটুকু ইসলামের উপর আছেন বা থাকতে পারছেন। জামাত করলে আপনার নিজস্ব চিন্তা চেতনা বলে কিছু থাকবে না। জামাতে বেদাতি ফেরকা আপনার উপর চাপিয়ে দেয়া হবে । আপনি মিথ্যা বলেন, বলাৎকার করেন, ধর্ষন করেন, বা পরোকিদয়া করেন কিংবা মদ,গাজা,বিড়ি,সিগারেট, জর্দা,ক্ষতিকর মাদক দ্রব্য খান, ব্রিক্রি করেন কোন সমস্যা নেই । দিতে হবে শুধু ইয়ানত আর মাসিক চাঁদা ।
জামাত নেতারা মন্দিরে যেয়ে উলুদেয়, প্রসাদ খায় কি ভাবে ? জামাতের নেতারা কি ভাবে বলে হরে কৃঞ্ষ হরি বোল দাঁড়ি পাল্লা টেনে তোল, । রোজা ও পুঁজতো একই কথা ,মুদ্রার এপিট ওপিট । আমির হামজার কথা “ আল্লাহ আর ভগবান তো একই জিনিষ ? ( নাউ যুবিল্লাহ ) ।
আচ্ছা বলুন তো মদ,গাজা,বিড়ি,সিগারেট, জর্দা,ক্ষতিকর মাদক দ্রব্য কি ইসলামে হালাল ? যদি হালাল না হয়ে থাকে তা হলে ইসলামী দলের দাবিদার জামাত কি ভাবে ওই সব নিকৃষ্ট বস্তুর দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করলো ? তারা তো হারাম দ্রব্য নিষিদ্ধের দাবি জানাবে তা না জানিয়ে দাম কমানোর দাবি জানাই কি ভাবে ? এর কোন জবাব কি আপনার কাছে আছে ?