১৯৬১ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান সরকার প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের পরিকল্পনা করে। ১৯৬৩ সালে পাবনার রূপপুরে জমি অধিগ্রহণ করা হয়। ১৯৭৭–৮৬ সালে ফরাসি কোম্পানি সোফ্রাটম সম্ভাব্যতা যাচাই করে। ১৯৮৭–৮৮ সালে জার্মান কোম্পানি লাহমেয়ার ইন্টারন্যাশনাল ও মোটর কলম্বাস পুনরায় সমীক্ষা চালায়। ১৯৯৭–২০০১ সালে বাংলাদেশ অ্যাটমিক এনার্জি কমিশন নতুন করে উদ্যোগ নেয়। ২০১১ সালে বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ২০১৭ সালে রূপপুর প্রকল্পের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ২০২৬ সালে এসে প্রথম ইউনিট চালু।
এটা কোনো এক সরকারের হঠাৎ করে নেওয়া সিদ্ধান্ত না বরং এটা ৬০ বছরের বেশি সময় ধরে চলা একটি প্রকল্প।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র কারো বাপের টাকার না, এটা এই দেশের জনগনের টাকার।
যদিও এই টাকা থেকে ৫৯ হাজার কোটি টাকা হাসিনা লুট করছে এই কৃতিত্ব তারে দেওয়ায় যায় ।