: শামসুল আলম স্বপন :
মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী :
আপনি জেনে খুশি হবেন যে, কুষ্টিয়া দৌলতপুরবাসীর মুখেমুখে প্রশংসা এখন দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আরিফুর রহমানের অ মানবিক কর্মকান্ডে । অধিকাংশ পুলিশঅফিসার ঘুষখায় কিন্তু ঘুষ ফেরৎ দিতে চায় ক’জন।
ভুক্তভোগীর কাছ থেকে টাকা খেয়ে সেই টাকা বদহজম হওয়ায় এখন ফেরত দিতে চাচ্ছেন তিনি । এমন মানবিক ওসি কোথায় পাবে দৌলতপুরবাসী ?
যে কারণে দৌলতপুরবাসীএই ওসিকে ঘুষ খাওয়ার কুমির বলে আখ্যা দিয়েছেন । কারন তিনিনাকি ঘুষ ছাড়া কোন কাজ করেন না । জিডিকরতে গেলেও টাকা দাবি করেন তিনি এমন সুনাম রয়েছে তার । তিনি ঘুষখাবেনইবা না কেন ? তারঘুষ খাওয়ার সংবাদ যাতে পত্রিকার পাতায় না ওঠে সেজন্যে তিনি ফ্যাসিষ্টদের দোসর প্রথম শ্রেণীর পত্রিকার সাংবাদিককে প্রতিমাসের ৫ তারিখে মধ্যে৫০০০/=টাকা সম্মানী প্রদান করে থাকেন । এ ছাড়াতার খরচের ইয়োত্তা নেই । দৌলতপুর থানায়থাকার জন্য তাকে পদে পদে মোটা অংকর টাকা ব্যয় করতে হয় বলে জানিয়েছেন ওসির ঘনিষ্ঠ অফিসার রা। ফলে মাদকব্যবসায়ী আওয়ামী দোসরদের সাথে তার সেই রকম সর্ম্পক ।
আমার বন্ধু কুষ্টিয়া-১ আসনের এমপিজনাব রেজা আহমেদ বাচ্চু মোল্লা জাতীয় সংসদে আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেছেন দৌলতপুর থানায় এখন লীগ পুলিশের ছড়াছড়ি । যে কারণে মাদক মুক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না। লীগ পুলিশের সদস্যরা মানছেন না জনস্বার্থে দেয়া এমপি‘র নির্দেশনা । কারণ এই মানবিক ওসি লীগ পুলিশদের ব্যবহার করছে ঘুষ বাণিজ্যের কাজে।
কুষ্টিয়ার সুযোগ্য পুলিশ সুপার মো: জসিম উদ্দিন পুলিশকে সৎ থেকে জনগণের সেবা করার কথা বল্লেও কোন কাজে আসছে না। দৌলতপুরের আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ে কুষ্টিয়াবাসী উদ্বিঘ্ন । তাতে ওসি স্যারের কিছুই আসে যায় না।
গত ৪ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে দৌলতপুর উপজেলার পিয়ারপুর ইউনিয়নের পঁচাভিটা নামক স্থানে দুর্বৃত্তের ছোড়া গুলিতে রফি মন্ডল (৬০) নামে এক কৃষক নিহত হন। গুলিবিদ্ধ হন ইউসুফ ও রবজেল নামে আরও দুইজন।
উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নের ফিলিপনগর গ্রামে গত ১১ এপ্রিল শনিবার দুপুরে বিক্ষুব্ধ জনতার হামলায় কথিত পীর শামীম রেজা ওরফে জাহাঙ্গীর (৬৫), নিহত হন । পাশাপাশি তাঁর আস্তানায় ব্যাপক ভাঙচুর ও অগ্নি সংযোগের ঘটনাঘটে।
এ ব্যাপারে ২০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা হলেও ওসি স্যার কাউকে গ্রেফতার করে নি। আসামীদের কাছ থেকে লীগ পুলিশের মাধ্যমে ঘুষ নেয়ার কথা বলছে এলাকাবাসী । যে কারণে ২০০ আসামীর মধ্য ১জনও গ্রেফতার হয়নি। এ ঘটনার সাথে গুপ্তবাহিনী জড়িতে এমনটি বলছে এলাকার জনগণ। তাদের কয়েক জনের নামে মামলা হলেও ওসি স্যারের বদৌন্ন্যতায় কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। দৌলতপুরের প্রভাব শালী বিএনপি নেতা এ্যাড. রজমান আলী আশংকা করে বলেছেন ওসি মোঃ আরিফুর রহমান দৌলতপুর থাকলে আওয়ামী লীগ ও গুপ্তবাহিনী অরাজকতা সৃষ্টি করার সুযোগ পাবে্ । তিনি এমপি জনাব রেজা আহমেদ বাচ্চু মোল্লার জাতীয় সংসদে দেয়া বক্তব্যে লীগ পুলিশ প্রত্যহার করার দাবির সাথে একমত পোষণ করে তা দ্রুত কাযকর করার অনুরাধ জানিয়েছেন। এব্যাপারে ওসি সাহেবের বক্তব্য নেয়ার চেষ্টা করেও তা সম্ভব হয়নি।
মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিষয়টির প্রতি নজর দিলে খুশি হবেন দৌলতপুরবাসী।
প্রতিবেদক:
শামসুল আলম স্বপন
ষ্টাফ রিপের্টোর,দৈনিক আমাদের সময়
সভাপতি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাংবাদিক সংস্থা
ও সাবেক জেলা গ্রামসরকার প্রধান,বৃহত্তর কুষ্টিয়া।
মোবা: ০১৭১৬৯৫৪৯১৯