: শামসুল আম স্বপন :
কুষ্টিয়ার ডিসি ইকবাল হোসেনের বদলি : ফেসবুকে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় ! কেও কেও তাঁকে সৎ-মানবিক ডিসি বলে আখ্যায়িত করলেও গত ১২ ফেব্রুয়ারীর নির্বাচনে একটি দলের প্রতি ডিসি’র রহস্যজনক সমর্থন ও ভুমিকা নিয়ে কুষ্টিয়াবাসী চরম ক্ষুদ্ধ । কুষ্টিয়া ৪ টি আসনই বিএনপি’র ঘাঁটি । বিশেষ করে কুষ্টিয়া সদর আসন মানেই বিএনপি’র আসন। যোগ্যতার মাপ কাটিতে ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকার একজন পরিক্ষীত রাজনৈতিক নেতা । তিনি স্বৈাচারের আমলে বিপুল ভোটের ব্যবধানে কুষ্টিয়া সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন। ফ্যাসিষ্টের আমলে এমপি নির্বাচনেও মাহবুব উল আলম হানিফ ভোট ডাকাতি করে তাঁকে হারিয়ে দেন। ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকারের রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, সততা,সোস্যাল এ্যাকটিভিটি,সামাজিকতা ও মানবতার কাছে “উপরওয়ালা” একেবারেই শিশু । “উপরওয়ালা’র মিথ্যাচার, ইসলাম ধর্ম নিয়ে বেফাস বক্তব্য, নায়িকা রাশমিকা মান্দানা.শাবনুর, মাহিয়া মাহি,ও পরীমনিকে নিয়ে ওয়াজ মাহফিলে জঘন্য কথা বার্তা বলায় জনগণ তাকে ঘৃণা ভরে প্রত্যাখান করে । যেখানে ৬০ থেকে ৭০ হাজার ভোটে “উপরওয়ালা’র হারার কথা সেখানে তিনি ৫০ হাজার বেশী ভোট পেয়ে জিতে গেলেন। এর পেছনে ডিসি’র অদৃশ্য ইঞ্জিনিয়ারিং রয়েছে বলে সচেতন মহল মনে করেন।
কুষ্টিয়া - ৪ আসনের বিএনপি’র এমপি প্রার্থী সাবেক জনপ্রিয় এমপি সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমীর সমর্থক হাজার হাজার নেতা-কর্মী নির্বাচনের পর ডিসি অফিস ঘেরাও করে । সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমীর হারার পেছনেও এই ডিসির নেপথ্য হাত রয়েছে বলে ক্ষুদ্ধ জনতা এই ডিসিকে কুষ্টিয়া থেকে দ্রুত সরানোর জন্য বিক্ষোভ করে। যতটুকু জানাগেছে সরকারের গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্টের কারণেই ডিসি ইকবাল হোসেনের বদলি হয়েছে। মনে রাখতে হবে “উপরওয়ালা” কিন্তু তাঁর বদলী ঠেকাতে পারেননি।
আজ যারা ডিসির বদলী বাতিলের ব্যাপারে আন্দোলন করছেন তারা কি ডিসির ভালো চাচ্ছেন ? মোটেও না । আমার জানামতে “উপরওয়াল‘র লোকজন এ আন্দোলন করছে এমন রিপোর্টও সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠিয়েছেন গোয়েন্দা সংস্থা । তাতে ডিসি’র কতটুকু ভালো হবে আর কতটুকু খারাপ হবে তা সহজেই অনুমেয় ।
এবার পড়ুন কুষ্টিয়ার ডিসি ইকবাল হোসেনের বদলি নিয়ে ফেসবুকে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় :
·
কুষ্টিয়ার একজন সরকারিকর্মকর্তার বদলির আদেশ কে কেন্দ্রকরে একটি বিশেষ মহলের অতিউৎসাহীভুমিকার কারণ বুঝতে হলে, বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচনেরপ্রিজাইডিং অফিসার, পোলিং অফিসারএবং আনসার সদস্যদের তালিকা পর্যালোচনাকরতে হবে, এর চেয়ে বেশী কিছু আর নাই বা বললাম।
ইলেকশনের দিন সকাল ৯ঃ১৫ মিনিটে উনি যেটা করেছেন তার দায় উনি এড়াতে পারেন না। অনেক তথ্য উপাত্ত আছে, সময় মত সব প্রকাশ করা হবে।
তিনি নির্বাচনের দিন প্রথমেই যুবদল নেতা মাজেদ ভাইকে বিনা অপরাধে ধরে সদরের মানুষের কাছে বিএনপি সম্পর্কে নেগেটিভ বার্তা দেন।
এখানে কি কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক নিয়ে কথা হচ্ছে!! উনি তো ১২ ফেব্রুয়ারির পর কুষ্টিয়ার উপরওয়ালার প্রাইভেট সেক্রেটারি হিসেবে নিয়োগ প্রাপ্ত হয়েছেন।
কেনো ভুল বল্লাম নাকি? কুষ্টিয়ার ৪ জন সংসদ সদস্য তিনি অন্য কোনো সংসদ সদস্যের কোনো অনুষ্ঠানে যোগদান করেন নাই। শুধু উপরওয়ালার ইচ্ছে যেখানে হয়েছে তিনি একজন অনুগত চাকরের মত জ্বী হুজুর হয়ে পিছে পিছে হুকুম তামিল করেছেন। এমন দলীয় চরিত্রের জেলা প্রশাসক আগে কখনোই কুষ্টিয়ার মানুষ দেখে নাই।
আর যে সততার কথা বলা হচ্ছে, ধরে নিলাম তিনি সৎ। কিন্তু এ যাবৎকালে যে যে বিষয়ে তিনি ঠিক করে দেবেন বা ব্যবস্থা নিবেন বলেছেন, তার একটি কাজও তিনি করেন নাই। সততার নামে সস্তা পাবলিক ভাইরাল হয়েছেন।
সাংবাদিকরা লালন একাডেমির তিরোধান দিবসে কত টাকা আয় ব্যয় হয়েছে, যা আগের ডিসি হিসেব না দেখিয়ে সটকান দিলেন, সেই হিসেবটা এই ডিসির যোগদানের পর থেকে চাওয়া হচ্ছে, তিনি আজ দেবেন কাল দেবেন বলে ঘুরাচ্ছেন। এটা একটা উদাহরণ, এমন প্রতিটি ক্ষেত্রেই আছে। তিনি বাজার মনিটরিং এর কথা বলেছিল রমজানের আগে, কিন্তু রামজানে মাত্র ১দিন মনিটরিং করেই দায়িত্ব শেষ করে উপরওয়ালা হাতে ছেড়ে দিয়েছেন…
সৎ মানেই উত্তম প্রশাসক নয়…
·
সঠিক উপস্থাপন, ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং, ভোট গণনায় কারচুপি, পুলিশ প্রশাসন সহ পুরো নির্বাচন ব্যবস্থা কে একজনকে জিতানোর জন্য সর্বোপরি সকল ব্যবস্থা করিয়ে দেওয়া হয়েছিল, যেটা নির্বাচনের দিন সকাল ১০ টার সময় ঘটনা দেখলেই বোঝা যায়,সাথে সাথে বিষয়টা সোশ্যাল মিডিয়াই ছড়িয়ে দেয়া হয়েছিল, যাতে ভোটারদের মাঝে নেতিবাচক প্রভাব ফেলানোর জন্য ঘটনাটি ঘটানো হয়েছিল,
এই ডিসি সাহেব যাদের হয়ে কাজ করেছেন তারাই অতিউৎসাহী
সহমত।
ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করে আপনাকে হারানো হয়েছে এটা প্রমাণিত হলো।
মনে হচ্ছে তিনি কুষ্টিয়ার ডিসি না তিনি কুষ্টিয়ার একটি দলের আমির।
আমাদের ১৯নং ওয়ার্ড এর কেন্দ্রেও এক দল কে গেটে স্থান দিয়ে অন্য দেরকে প্রস্থান করিয়েছেন আরো অনেক কিছু তার দায় ও এরিয়ে যেতে পারবে না
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিভাগীয় তদন্তের আরজি জানানো হোক। আমার বিশ্বাস তার অফিসের ফাইল পত্র বা রেকর্ডে কিছুনা কিছু নমুনা পাওয়া যাবে।
উপরে ভালো মানুষের মুখোশ পড়ে কুষ্টিয়ার অফিস আদালতের বারটা বাজাইয়া দিছে। অফিস গুলোতে খোঁজ নিলে দেখা যাবে গত তিন মাসে মানুষ কতটা ভোগান্তির মধ্যে আছে। আশাকরি আগামীতে এর সুষ্ঠ সমাধান হবে।
সঠিক বলেছেন, সহমত পোষণ করছি,
নির্বাচনের আগেই সব বোঝা যাচ্ছিল।
সবকিছু যাচাই করে দেখা উচিত।
কিছু নির্দিষ্ট মহলের মানুষজন পরিবেশটাকে ঘোলাটে করার চেষ্টা করছে।
ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করেছে এই ডিসি
সহমত ভাই।
একটি দল ডিসির বদলীকে কেন্দ্র করে মব করছে।
উনি সরকারী চাকুরী করে
উনি বদলী তো হবেই
সহমত,একটি মহলের মনে হচ্ছে মাথায় বাজ পড়েছে। মনে হচ্ছে তারা তাদের নেতা হারিয়ে ফেলেছে। ভয় পেয়ে এমন লাফালাফি করছে। একটা নির্দিষ্ট দলের অভিভাবক ছিলেন মনে হচ্ছে।
এর থেকে বেশি কেন বলবেন না ? ভরা মৌসুমে যদি বলতে না পারেন তবে কখনোই বলতে পারবেন না। কুষ্টিয়া বিএনপি অধ্যুষিত এলাকা, জামাতের ভোট সর্বোচ্চ দশ শতাংশ তার বেশি নয়, কিভাবে তারা নির্বাচিত হয়েছে এটা বুঝতে বড় কোন বিদ্যান হবার তো দরকার নেই। লালন রবীন্দ্রনাথ কাঙাল হরিনাথ মীর মোশারফের দ্যাশে মৌলবাদী মাথা চাড়া দিচ্ছে এটার ব্যর্থতার দায় এইভাবে চুপ থাকা
অতো পর্যালোচনা করার প্রয়োজন নাই,, যখন যেই দল ক্ষমতায় যায় তখন সেই দল পন্থীদের উচ্চ পদে বসানো হয়,, এটাই রাজনীতি,, আওয়ামীলীগ এর সময় আওয়ামীলীগ পন্থীদের উচ্চপদে দেওয়া হতো এখন বিএনপি পন্থীদের উচ্চপদে দেওয়া হচ্ছে,,
বুঝেছি তাহলে, উপরে সাদা,ভিতরে কালো।
আবারও প্রমাণিত হলো ভালো মানুষ এর দাম নাই
কুষ্টিয়া এর মানুষ এর দুর্নীতি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে কিছু মানুষ মেনে নিতে পারছে না
মানুষ এখন বোঝে, ভালো কে অবশ্যই ভালো বলতে হবে। নিঃসন্দেহে ডিসি একজন ভালো মানুষ আমার মনে হয়।
আগে কি মনেছিলো না?
একি ভাবে আমিও আপনার সাথে একমত লিডার ১০০%সত্য.
সঠিক বলেছেন ভাই
বলেছেন লিডার
রাজনৈতিক নেতাদের মতো বক্তব্যের প্যাটার্নেই তো বোঝা যেত ওই ডিসি যে জামায়াতের ছিল!
লালনে চোখের সামনে গাঁজা খায় কিন্তু তারো চাখেই কোন কিছু পড়ে না। কুষ্টিয়া মাদকের আড্ডাখানায় পরিনত হয়ে নষ্ট হয়ে ঘুর্গন্ধ বের হচ্ছে তাও কারো কাছে গন্ধ যায় না। আল্লাহ তুমি উত্তম পরিকল্পনাকারি তুমি সবার অন্তরের খবর জানো। সুতরাং বিচারের ভার তোমার উপরি রইলো। যারা মিথ্যা বলছে তাদের মুখ বন্ধকরে দাও যারা অন্যায় করছে তাদের প্রতিবন্ধি করে দাও। মজলুমদের ধর্য্যধারন করার তৌফিক দান করো। আমিন।
জনগন কি বলে ওইগুলো একটু দেখিয়েন। আমার মনে হয় তিনি কুষ্টিয়ার জন্য অনেক ভালো কিছু করছেন। তাকে বদলি করে আপনারা কাকে চান ওই চেয়ারে একটু বলবেন? সে কি নিরপেক্ষভাবে কাজ করছে না?
এখন সব পরিষ্কার
সঠিক
তার বদলিতে যারা উম্মাদ হয়ে গেছে তাদের পর্যাবেক্ষন করলে বোঝা যাবে যে গুপ্ত হয়ে সে কাদের প্রমোট করতো। এগুলো দেখার দিন শেষ এদের পতিহত করার সময় এসেছে, যারা মব করবে প্রয়োজনে তাদের মব দিয়ে প্রতিহত হোক শুরু।
লোকটার কি শুধু ডিসি থাকলে হবে? তার তো পদোন্নতি দরকার। দেখছি, ওরা তো ওর ভাল চায় না।
আপনার মত দায়িত্বশীলের পক্ষ থেকে এরকম বক্তব্য আমাদেরকে হতাশ করে। আপনি আরো বেশি সতর্কতা অবলম্বন করেন আপনাদের কর্মীদের কাজকর্মের বিষয়ে। উত্তর পেয়ে যাবেন কেন জনগণ মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন।
স্যার খুব ভালো মানুষ, নির্ঘাত সে জামাতের কেন্দ্রীয় কমিটি তে জায়গা পাবে মনে হয়