ডেস্ক রিপোর্ট :
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় নেতা ও যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষারকে ঘিরে গুরুতর অভিযোগ এনেছেন দলটির সাবেক নেত্রী নীলা ইস্রাফিল। তার দাবি, সারোয়ার তুষার একাধিক নারী কেলেঙ্কারিতে জড়িত ছিলেন, যা একজন রাজনৈতিক নেতার চরিত্র ও নৈতিক যোগ্যতা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন সৃষ্টি করেছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, একটি আলোচিত ‘লা-গানো কাণ্ড’-এর কেন্দ্রবিন্দুতেও ছিলেন সারোয়ার তুষার। নীলা ইস্রাফিলের ভাষ্য অনুযায়ী, এই ঘটনাগুলো দীর্ঘদিন ধরে আড়ালে চাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হলেও সাম্প্রতিক সময়ে বিষয়গুলো নতুন করে সামনে আসছে।
নীলা ইস্রাফিলের অভিযোগের অন্যতম গুরুতর অংশ হলো, ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার সময় তার অনুমতি ছাড়াই ভর্তি ফরমে ‘স্বামীর নাম’ ঘরে সারোয়ার তুষারের নাম লেখা হয়। তিনি দাবি করেন, এ বিষয়ে তিনি সম্পূর্ণ অজ্ঞ ছিলেন এবং বিষয়টি জানার পর চরম মানসিক বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন।
তার ভাষ্যমতে, এটি শুধু ব্যক্তিগত মর্যাদাহানির বিষয় নয়, বরং একজন নারীর সম্মতি ও ব্যক্তিস্বাধীনতার ওপর ভয়াবহ হস্তক্ষেপের শামিল। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, “একজন রাজনৈতিক নেতা কীভাবে এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন ও অনৈতিক আচরণ করতে পারেন?”
নীলা ইস্রাফিল আরও দাবি করেন, এসব ঘটনা প্রকাশ্যে এলে দলের ভেতরে চাপ সৃষ্টি হয় এবং শেষ পর্যন্ত তাকেই নানাভাবে চুপ করিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সারোয়ার তুষার বা জাতীয় নাগরিক পার্টির পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে তাদের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সাড়া মেলেনি।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই অভিযোগগুলো সত্য হলে তা এনসিপির ভাবমূর্তির ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। একই সঙ্গে অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন সচেতন মহল।
এই প্রতিবেদনের বিষয়ে অভিযুক্ত পক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে সংযুক্ত করা হবে।