logo

বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ৫৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ ১০:৫০ অপরাহ্ণ

দায়মুক্তি নির্ধারণ ও গণঅভ্যুত্থান সুরক্ষা আইন অনুমোদন

অফিস ডেস্ক
প্রতিবেদন প্রকাশ: ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ | সময়ঃ ০৮:৪০
  • সংবাদ পাঠকঃ ২০৯ জন
photo

ঢাকা অফিস : 

 

জুলাই গণঅভ্যুত্থান সুরক্ষা ও দায়মুক্তি নির্ধারণ আইন উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অনুমোদন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমির মিলনায়তনে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।

 

আইন উপদেষ্টা বলেন, জুলাই-আগস্টে রাজনৈতিক প্রতিরোধে ফৌজদারি মামলা থাকলে সরকার প্রত্যাহার করবে। নতুন করে মামলা করা হবে না। জুলাই গণঅভ্যুত্থানকারীদের বিরুদ্ধে কোথাও কোনো মামলা হয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে ওই সময় ব্যক্তিগত, সংকীর্ণ স্বার্থে কোনো হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হলে তার বিচার হবে। এ বিষয়ে মানবাধিকার কমিশন তদন্ত করে প্রতিবেদন দেবে। এরপর সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এর আগে, ৮ জানুয়ারি এক ফেসবুক পোস্টে আসিফ নজরুল জানিয়েছিলেন ‘দায়মুক্তি অধ্যাদেশ’-এর খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে। জুলাই বিপ্লবের বীরদের ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসরদের হাত থেকে নিরাপদ রাখতে এবং তাদের প্রতিরোধমূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি দিতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

 

 ড. আসিফ নজরুল তার পোস্টে উল্লেখ করেন, জুলাইযোদ্ধারা জীবনবাজি রেখে দেশকে ফ্যাসিস্ট শাসন থেকে মুক্ত করেছেন। আন্দোলনের সময় ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার খুনিদের বিরুদ্ধে তারা যে প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম চালিয়েছিলেন, তার জন্য তাদের দায়মুক্তি পাওয়ার অধিকার রয়েছে। এ ধরনের আইন প্রণয়ন সম্পূর্ণ বৈধ এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। উদাহরণ হিসেবে তিনি আরব বসন্তসহ সমসাময়িক কালের বিভিন্ন বিপ্লবের কথা উল্লেখ করেন, যেখানে গণ-অভ্যুত্থানের পর বিপ্লবীদের সুরক্ষায় এ ধরনের আইন করা হয়েছিল।

 সংবিধান ও মুক্তিযোদ্ধাদের নজির অধ্যাদেশটির যৌক্তিকতা তুলে ধরে আইন উপদেষ্টা আরও লেখেন, বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৬ অনুচ্ছেদে এ ধরনের দায়মুক্তি আইনের স্পষ্ট বৈধতা রয়েছে। তিনি মনে করিয়ে দেন, ১৯৭৩ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের পর মুক্তিযোদ্ধাদের সুরক্ষার জন্যও অনুরূপ দায়মুক্তি আইন করা হয়েছিল। সেই একই ধারায় এবার জুলাই অভ্যুত্থানের বীরদের সুরক্ষা দেবে রাষ্ট্র।

শেয়ার করুন