অফিস ডেস্ক
শামসুল আলম স্বপন :
কুষ্টিয়ায় এলপিজি গ্যাসের অযৌক্তিক ওঅসহনীয়মূল্যবৃদ্ধির কারেণে গ্রাহকরা চরম ক্ষুদ্ধ । সরকার ১২ কেজি এলপিজি গ্যাসের মূল্য ১৩০৬ টাকা ধায করলেও কুষ্টিয়ার ডিলাররা কারসাজি করে ১৬০০ টাকায় গ্রাহকদের গ্যাস কিনতে বাধ্য করছে । কোন ডিলারই র গ্রাহকদের কাছে ১৬০০ টাকায় গ্যাস বিক্রি করে ভাউসার দিতে চাচ্ছে না। কোন গ্রাহক জোরাজুরি করলে ১৩০৬ টাকার ভাউসার দিচ্ছে । বাড়তি টাকার কোন রশীদ দিচ্ছেনা বলে অভিযোগ করেছেন সালমা নামে এক নারী ক্রেতা ।
শামীম রেজা নামে অপর এক ক্রেতা বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে দেশেরসাধারণমানুষের জীবনযাত্রা ইতোমধ্যে চরম ভাবে বিপর্যস্ত। এর মধ্যেই এলপিজি গ্যাসের সাম্প্রতিক অতিরিক্ত ও অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি জনজীবনে নতুন করে অসহনীয় চাপ সৃষ্টি করেছে।বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবার, ভাড়াটিয়া জনগোষ্ঠী, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী এবং হোটেল-রেস্তোরাঁ সংশ্লিষ্টরা এ মূল্যবৃদ্ধির ফলে মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। তিনি আরো বলেন, অনেক এলাকায় বিক্রেতারা সরকার নির্ধারিত মূল্যউপেক্ষা করে ইচ্ছে মতো দামে এলপিজি গ্যাস বিক্রি করছেন, যা ভোক্তা অধিকার ও সামাজিক ন্যায় বিচারের পরিপন্থী।
কার্যকর নজর দারির অভাবে এই অনিয়ম দিনদিন বাড়ছে এবং সাধারণ মানুষকে বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত মূল্য পরিশোধ করতে হচ্ছে।
কুষ্টিয়া জেলা বিএপি’র আহ্বায়ক কুতুব উদ্দিন আহমেদ বলেন সারা দেশের ন্যায় কুষ্টিয়াতে গ্যাস সংকটে সাধারণ মানুষ দিশেহারা । সরকার কেন যে এলপিজি গ্যাসের মূল্য নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না তা আমাদের বোধগম্য নয় । ভোক্তাদের অধিকার সংরক্ষণ করা যেমন প্রয়োজন তেমন ব্যবসায়ীরা ক্ষতি গ্রস্থ হোক সেটাও আমরা চাই না । গ্যাস সংকটের বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে এ ব্যাপারে আমরা দলীয় পর্যfয়ে কুষ্টিয়া প্রশাসকের সাথে আলাপ করবো।
কুষ্টিয়া জেলা বিএনপি’র সদ্স্য সচিব প্রকৌশলী জাকির হোসেন সরকার বলেন,সরকার গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি করাই ভোক্তারা এমনিতেই সমস্যায় পড়েছে। তার উপর কারসাজি করে যারা অধিক মুনাফা লাভের চেষ্টা করছে তাদের ছাড় দেয়ার কোন সুযোগ নেই। আমরা জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্টদের বলতে চাই যে সকল ডিলার বাড়তি দাম নিচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে।
এ ব্যাপারে কুষ্টিয়া ভোক্তা অধিকারের সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো: মাসুদ আালী বলেন,কেও যদি সরকার নির্ধারিত দামের বেশী টাকায় গ্যাস সিল্ডিার বিক্রি করে এমন অভিযোগ পেলে আমরা তার বিরুদ্ধে ব্যব্স্থা গ্রহন করবো।
এ ব্যাপারে কুষ্টিয়ার সচেতন মহল জেলা প্রশাসকের কাছেচারদফাদাবিতুলে ধরেছেন । দাবিগুলো হলো এলপিজিগ্যাসের মূল্য নির্ধারণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা, সরকার নির্ধারিত মূল্যেগ্যাস বিক্রি হচ্ছে কিনা তা কঠোর ভাবে তদারকি করা, অতিরিক্ত দামে বিক্রির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণকরা,জনস্বার্থ বিবেচনায় এলপিজি গ্যাসের মূল্যসহনীয় পর্যায়ে রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ করা।