logo

বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ৫৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ ০২:০১ অপরাহ্ণ

আদালতের আদে‎শ দিলীপ আগরওয়ালার স্ত্রীর জমি-দোকান জব্দের

অফিস ডেস্ক
প্রতিবেদন প্রকাশ: ০৭ জানুয়ারি ২০২৬ | সময়ঃ ১১:৪৩
  • সংবাদ পাঠকঃ ৭৭৯ জন
photo

আদালত প্রতিবেদক :

কার্যক্রম নিষিদ্ধ ‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় শিল্প ও বাণিজ্য উপ কমিটির সদস্য এবং ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) দিলীপ কুমার আগরওয়ালার স্ত্রী সবিতা আগরওয়ালার জমি, দোকান ও বাণিজ্যিক স্পেস জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

 

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।

জব্দকৃত সম্পদের মধ্যে রয়েছে, চুয়াডাঙ্গা সদরে সবিতা আগরওয়ালার ৬৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা মূল্যের ০ দশমিক ৪৩৯৭ একর জমি, রাজশাহীর বোয়ালিয়ার থিম ওমর প্লাজায় নির্মাণাধীন মার্কেটের ৩৩ লাখ ৯১ হাজার টাকার দোকান ও জমি এবং ঢাকার রমনায় ৭ লাখ ১৫ হাজার ৯৫০ টাকার মূল্যের ২৩৯ বর্গফুটের বাণিজ্যিক স্পেস।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারি পরিচালক সাজ্জাদ হোসেন তার সম্পদ জব্দ চেয়ে আবেদন করেন। সেখানে বলা হয়, সবিতা আগরওয়ালার ‎বিরুদ্ধে অসাধু উপায়ে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ ৪৫ কোটি ৭০ লাখ ৬৭ হাজার ২৮৭ টাকা মূল্যের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ অর্জন করে ভোগ দখলে রেখে এবং নিজ ও তার স্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নামে ৮টি ব্যাংক হিসাবে ১০৭ কোটি ২০ লাখ ৭১ হাজার ৫১ টাকা জমা ও ১০৬ কোটি ৮ লাখ ২ হাজার ৮৭৬ টাকা উত্তোলনসহ মোট ২১৩ কোটি ২৮ লাখ ৭৩ লাখ ৯২৭ টাকার অস্বাভাবিক লেনদেন করেন। যা মানিলন্ডারিংয়ের সম্পৃক্ত অপরাধ ‘দুর্নীতি ও ঘুষ’ সংঘটনের মাধামে প্রাপ্ত অর্থ বা সম্পত্তির অবৈধ উৎস গোপন বা আড়াল করার উদ্দেশ্যে তা হস্তান্তর, স্থানান্তর ও রূপান্তর করার অপরাধে মামলা দায়ের করা হয়।

আবেদনে আরও বলা হয়, তদন্তকালে রেকর্ডপত্র বা তথ্যাদি পর্যালোচনায় দেখা যায়, আসামির নামীয় ও তার স্বার্থ সংশ্লিষ্ট স্থাবর সম্পদ অন্যত্র হস্তান্তর, স্থানান্তর বা বেহাত করার প্রচেষ্টা করছেন। এ অবস্থায় স্থাবর সম্পত্তি জব্দ করা প্রয়োজন।

শেয়ার করুন