logo

বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬ ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ০৪:৫৪ পূর্বাহ্ন

কালেমা লেখা ফলক স্থাপন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে

প্রতিবেদন প্রকাশ: ২৫ সেপ্টেম্বার ২০২৬ | সময়ঃ ০২:৩৬
  • সংবাদ পাঠকঃ ১৮৪৩ জন
photo

জনতার পত্রিকা : 

 

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) প্রধান ফটক ও কেন্দ্রীয় মসজিদ ভবনের সামনে কালেমা লেখা সংবলিত ফলক স্থাপন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে এসব ফলক স্থাপন করা হয়। প্রশাসনের এমন উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ইসলামী ও সাধারণ শিক্ষার সমন্বয়ের পাশাপাশি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যকে তুলে ধরতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়টিতে কিছু বিশেষায়িত বৈশিষ্ট্য থাকায়, এসব বৈশিষ্ট্য ও ঐতিহ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কালিমা লেখা স্থাপন করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের মানিক রহমান বলেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে কালেমা লেখা সংবলিত ফলক স্থাপন প্রশংসনীয় উদ্যোগ। পাশাপাশি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর প্রতিষ্ঠিত এ বিশ্ববিদ্যালয় যাতে তার মূল লক্ষ্য-উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করতে পারে সে আহ্বান করব বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি। 

বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী জোহা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এ উদ্যোগ প্রশংসার দাবিদার। তবে মেইন গেটের মনোগ্রামটির নকশা গেটের সামগ্রিক স্থাপত্যশৈলীর সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে মনে হয়নি। গেট অথবা প্রবেশপথ, যেকোনো একটি স্থানে মনোগ্রামটি আরও নান্দনিক, সুশৃঙ্খল ও পরিকল্পিতভাবে স্থাপন করা হলে তা সবার কাছে আরও দৃষ্টিনন্দন ও আকর্ষণীয় হয়ে উঠত।

বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের ২০১৯-২০ বর্ষের শিক্ষার্থী ত্বকী ওয়াসিফ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক ও মসজিদের সামনে কালেমা সম্বলিত স্থাপনা নির্মাণের ব্যাপারটি অবশ্যই ইতিবাচক। বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যের সাথে সমান্তরাল। তবে, পবিত্র এই বাক্যের পবিত্রতা রক্ষা করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। পবিত্র বাক্যের স্থাপনা নির্মাণ করে তার পবিত্রতা যেন রক্ষা পায়, এ ব্যাপারে প্রশাসনের সুনজর কামনা করছি।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে আধুনিক শিক্ষার পাশাপাশি কুরআন-হাদিসসহ বিশেষায়িত ইসলামী শিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ রয়েছে। ইসলামী ও আধুনিক শিক্ষার সমন্বয়ের লক্ষ্যেই ১৯৭৯ সালে বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। এর স্বতন্ত্র পরিচয়, আদর্শ ও ঐতিহ্য তুলে ধরতেই প্রধান ফটক ও কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে পবিত্র কালিমা স্থাপন করা হয়েছে।

শেয়ার করুন