প্রতিবেদন প্রকাশ:
২০ সেপ্টেম্বার ২০২৬ | সময়ঃ ১১:৩৮
সংবাদ পাঠকঃ ১৩১১ জন
জনতার পত্রিকা :
রামিসা হত্যার বিচার আর রায় সময়মত কার্যকর হলে আজ কামরুন্নাহার কলি নামের ১০ বছরের শিশুটা ধর্ষণের শিকার হত না।
ধর্ষণের পর কলিকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয় আর লাশ টুকরো টুকরো করে বস্তাতে ভরে রাখা হয়।
মোস্তফা প্রামাণিক (৫৫) নামের এক মুদি দোকানি এই কাণ্ড ঘটায়।
পুলিশ মোস্তফার মোবাইল হতে মুছে ফেলা সব ডিজিটাল প্রমাণ ইতিমধ্যে উদ্ধার করেছে।
উত্তেজিত আর ক্রোধান্বিত গ্রামবাসী শাবল, কোদাল, খুন্তি ইত্যাদি নিয়ে মোস্তফা প্রামাণিক এর বাড়িটা নিজ হাতে পুরো ভেঙ্গে দিয়েছে। পুলিশ অবশ্য মোস্তফাকে এরেস্ট করেছে।
দিনের পর দিন অন্যায় আর অবিচার দেখতে দেখতে সাধারণ মানুষ ক্লান্ত। তাই তারা নিজ হাতে আইন তুলে নিয়েছে। দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি না হলে, এরকম ঘটনা আরো ঘটতে থাকবে৷