প্রতিবেদন প্রকাশ: ২৩ জুলাই ২০২৬, সময়ঃ ১২:৫৫
জনতার পত্রিকা :
যে দেশে বিচার হতে আর বিচার শেষে অপরাধীর সাজা হতেব ছরের পর বছর পার হয়ে যায় , সেদেশে অপরাধ বাড়বেই।
সেই সাথে বাড়ে বিচার প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত আর দীর্ঘায়িত করার প্রবনতা।
সিনহা হন্তা প্রদীপের কথাই ধরুন রায় হয়ে গেছে সেই কবে অথচ সাজা কার্যকরের খবর নেই।
আচ্ছা, প্রদীপ কি শুধুই সিনহাকেই মেরেছিল? এর আগে পরে যাদের মেরেছে, তাদের কথা কেন আমাদের জানানো হয় না?
সে কি একাই এসব করত? কেবা কাহারা ছিল তা সহযোগী? প্রদীপ,কিংবা এর নাম কেন সামনে আসেনি?
তার রক্ত বেচা কামাইয়ের ভাগকারা কারা পেত? তাদের নাম কেন জানলামনা আমরা?
এই কু পথেঅর্জিত তার সম্পদ কোথায় কোথায় গেল? তা কেন প্রকাশ পায়না?
কারা কারা ছিল তার পলিটিক্যাল মাস্টারস? কে কে ছিল তার ফরেনকানেকশন? কেন তাদের নামজনগণকে জানায় না?
আমাদের একটা আলাদা মন্ত্রণালয় থাকা দরকার।
যারা পাব্লিকের হয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে এই সব সহজ প্রশ্ন সবিনয়ে জিজ্ঞাসা করবে, জবাবটা জানবে এবং আমাদের জেনে জানাবে।
অথবা
আমাদের হোমমিনিস্ট্রি সাপ্তাহিক প্রেসব্রিফিং আয়োজন করতে পারে, যেখানে অফলাইনে বা অনলাইনে সাংবাদিক আর পাব্লিক হোমমিনিস্টার বরাবর এসব কোশ্চেন করার চান্সপাবে। এখন প্রশ্ন হলো খুনি প্রদীপের আলো নিভবে কবে ?
© Jonotar Potrika ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
সতর্কতাঃ অনুমতি ব্যতীত কোন সংবাদ বা ছবি প্রকাশ বা ব্যবহার করা যাবে না।