প্রতিবেদন প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৬, সময়ঃ ০১:৪৯
জনতার পত্রিকা :
দীর্ঘদিন ভারতে ছিলো। সেখানে RAW এবং হিন্দুত্ববাদী সংগঠন দ্বারা ট্রেনিং নিয়ে বাংলাদেশে ফিরে আসে। তারপর বাংলাদেশে ফেরার পর হরিদাস পাল নাম বদলে 'তাওহীদ' নামে ভুয়া মুসলমান সাঝে। তাওহীদ ভুয়া মুসলমান পরিচয়ে একজন বাংলাদেশী মুসলিম নারীকে বিয়েও করে সে
কিছুদিন আগে গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে ৮২ ফুট উচ্চতার রাম মুর্তি নির্মাণের উদ্দ্যোগ নেয়। উদ্দেশ্য ছিলো সেখান থেকে হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গার সুচনা করা। এবং ধীরে ধীরে ভারতে রামের নামে যে উগ্র এবং মুসলিম বিরোধী শাসন প্রতিষ্ঠা হয়েছে সেটিকে এ অঞ্চলে স্বাভাবিক করা।
তাছাড়া তার এই অসৎ উদ্যোগে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার পূর্ণ সহযোগিতা করেন। কিন্তু তাদের এই অসৎ উদ্দেশ্য স্থানীয় মুসলিমদের বাঁধায় নষ্ট হয়ে যায়।
ধারণা করা হচ্ছে রাম মুর্তি নির্মাণের সম্পূর্ণ অর্থ ভারতের উগ্র হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলোর দেওয়া। যারা দিন রাত প্রতিবেলা বাংলাদেশ দখলের হুমকি দেয়। মুসলিম গণহত্যার হুমকি দেয়।
হরিদাস পালকে নিয়ে আমার লেখার উদ্দেশ্য হলো– তার মতো হাজার হাজার RAW এ্যাজেন্ট সারা বাংলাদেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। কেউ আছে ভুয়া মুসলিম পরিচয়ে, কেউ রাস্তার পাগল বেশে, কেউ রিকশাওয়ালা বেশে, কেউ আছে হকার বেশে, কেউ আছে পত্রিকাওয়ালা বেশে, কেউ আছে মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিন পরিচয়ে।
সেই অবস্থান থেকে তারা RAW কে তথ্য সাপ্লাই করে। আমরা এক ভয়াবহ অবস্থার দিকে ঝুঁকছি। এই এ্যাজেন্টগুলোর বিরুদ্ধে প্রতিটি সরকারের সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
যেখানে শক্তিশালী ইরান প্রতি মাসে শত শত এসরায়েলি গুপ্তচরদের প্রকাশ্যে ফাঁসি দিয়েও তাদের রাষ্ট্রীয় তথ্য পাচার-রোধ এবং সর্বোচ্চ ৪০ জন নেতাকে হত্যার হাত থেকে বাঁচাতে পারলো না, সেখানে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রটির অস্তিত্ব মহা সংকটে।
© Jonotar Potrika ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
সতর্কতাঃ অনুমতি ব্যতীত কোন সংবাদ বা ছবি প্রকাশ বা ব্যবহার করা যাবে না।