প্রতিবেদন প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, সময়ঃ ০১:৪৭
ঢাকা অফিস :
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ওপ্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন জানান, সফরকালে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী দাতো সেরি আনোয়ার ইব্রাহিম ও তার সহধর্মিণী ডা. ওয়ান আজিজাহ ওয়ান ইসমাইলকে তাদের সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আন্তরিক আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী এই ঐতিহাসিক সফর আয়োজনের জন্য মালয়েশিয়া সরকার এবং জনগণের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি মালয়েশিয়ার উষ্ণ আতিথেয়তা, আন্তরিক সহযোগিতা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ অভ্যর্থনার জন্য ধন্যবাদ জানান।
দুই প্রধানমন্ত্রীর একান্ত বৈঠকের পর সীমীত পরিসরে অনুষ্ঠিত মিটিংয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী দাতো’ সেরি আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে দুই দেশের প্রতিনিধিদল অংশগ্রহণ করেন। বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলে ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা (অর্থ মন্ত্রণালয় ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়) রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা (প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়) এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন। মালয়েশিয়ার প্রতিনিধিদলে ছিলেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাতুক সেরি সাইফুদ্দিন নাসুতিওন ইসমাইল, পররাষ্ট্রমন্ত্রী দাতুক সেরি মোহাম্মদ হাসান, মানবসম্পদমন্ত্রী দাতুক সেরি আর রামানান, প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সচিব দাতো’ শাহরোল আনুয়ার বিন সারমান এবং সেক্রেটারি জেনারেল তান শ্রী আমরান মোহাম্মদ জিন।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তার দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের অংশ হিসেবে মহামান্য রাজার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাতকালে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা (প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়) এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা (ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়) রেহান আসিফ আসাদ।
প্রেস কনফারেন্সে মাহ্দী আমিন বলেন, ‘মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে বিমানবন্দরের ভিভিআইপি টার্মিনালে তাকে ও তার সহধর্মিনীকে স্বাগত জানান মালয়েশিয়ার সরকারের ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী জুলকিফলি হাসান ও তার সহধর্মিণী। পরবর্তীতে মালয়েশিয়া সরকারের পক্ষ হতে আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে লালগালিচা সংবর্ধনা ও গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। সুসজ্জিত বাহিনীর দেওয়া গার্ড অব অনারের সময় দুই দেশের জাতীয় সংগীত বাজানো হয়। এরপর বিমানবন্দর থেকে প্রধানমন্ত্রীকে বিশেষ মোটর শোভাযাত্রাসহকারে কুয়ালালামপুরের ‘‘শাংগ্রি লা’’ হোটেলে নিয়ে যাওয়া হয়।’
তিনি বলেন, ‘এ ছাড়া বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে হোটেল পর্যন্ত ৫০ মিনিটের সড়কপথ বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার জাতীয় পতাকায় সজ্জিত করা হয়।’
আজ সোমবার পুত্রাজায়ায়ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে লালগালিচা সংবর্ধনা দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানিয়ে সড়কপথে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার জাতীয় পতাকায় সজ্জিত করা হয়। পুত্রাজায়ায় প্রধানমন্ত্রী ও তার সহধর্মিনী ডা. জুবাইদা রহমানের ছবি বিলবোর্ডে শোভা পায়।
মালশিয়া সফর শেষ করে আজ সোমবার স্থানীয় সময় বিকালে চীনের উদ্দেশে রওনা দেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তার সঙ্গে স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানসহ ২৪ সদস্যের প্রতিনিধিদল রয়েছে।
© Jonotar Potrika ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
সতর্কতাঃ অনুমতি ব্যতীত কোন সংবাদ বা ছবি প্রকাশ বা ব্যবহার করা যাবে না।