প্রতিবেদন প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, সময়ঃ ১১:৪১
ঢাকা অফিস :
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, দুবাইয়ে গ্রেপ্তার সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে দ্রুত দেশে ফেরত আনা হবে। বোরবার বিকেলে জাতীয় সংসদে একথা জানান তিনি। এর আগে দুপুরে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে দুবাইয়ে বেনজীর আহমেদকে গ্রেপ্তারের তথ্য জানায়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দ্রুত বেনজীরকে ফেরত আনা হবে। এটি বাংলাদেশ পুলিশের একটি ঐতিহাসিক সাফল্য। গ্রেপ্তারের জন্য ইন্টারপোলের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করছে এনসিবি।বেনজীরকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি ১২ জুন সরকারকে নিশ্চিত করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে কূটনৈতিক চ্যানেল মেনে তাকে ফেরত চাইতে হবে।
২০২৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বেনজীর আহমেদকে গ্রেপ্তারের জন্য ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারির আদেশ দেয় আদালত। ঢাকা মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো. জাকির হোসেন এ আদেশ দেন।
এর আগ এ বছরের ৮ মার্চ জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে করা মামলায় বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত। ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক সাব্বির ফয়েজ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দেওয়া অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে তার বিরুদ্ধে এই পরোয়ানা জারি করেন।
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর দুদকের উপপরিচালক হাফিজুল ইসলাম বাদী হয়ে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন। পরে তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ৩০ নভেম্বর তার বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন, সম্পদের তথ্য গোপন এবং মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে অভিযোগপত্র জমা দেয় দুদক।
অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, বেনজীর আহমেদ তার দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে ৬ কোটি ৪৫ লাখ ৩৭ হাজার ৩৬৫ টাকার স্থাবর সম্পদ এবং ৫ কোটি ৭৪ লাখ ৮৯ হাজার ৯৬৬ টাকার অস্থাবর সম্পদের ঘোষণা দেন। তবে তদন্তে তার নামে ৭ কোটি ৫২ লাখ ৬৮ হাজার ৯৮৭ টাকার স্থাবর এবং ৮ কোটি ১৫ লাখ ৩১ হাজার ২৬৪ টাকার অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়।
© Jonotar Potrika ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
সতর্কতাঃ অনুমতি ব্যতীত কোন সংবাদ বা ছবি প্রকাশ বা ব্যবহার করা যাবে না।