প্রতিবেদন প্রকাশ: ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, সময়ঃ ১১:৫৯
বিনোদন ডেক্স :
দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। কাজ করে যাচ্ছেন বাংলাদেশ ও ভারতে। বর্তমানে অভিনেত্রী অবস্থান করছেন কলকাতায়। সেখানে তার আসন্ন সিনেমা ‘ওসিডি’-এর প্রচারণায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন তিনি। সিনেমাটি মুক্তির আগেই বিষয়বস্তু ও প্রস্তুতি নিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমে খোলামেলা কথা বলেছেন এই অভিনেত্রী।
সাক্ষাৎকারে জয়া জানান, ‘ওসিডি’ তার অভিনীত অন্যতম প্রিয় কাজ।
এর চরিত্র ও বিষয়বস্তুর গভীরতা বোঝার জন্য তিনি আগেভাগেই বিস্তর গবেষণা করেছেন। বিশেষ করে পিডোফিলিয়া বা শিশুদের প্রতি যৌন আকর্ষণ- এই মানসিক ব্যাধি সম্পর্কে জানতে ও বুঝতে সময় দিয়েছেন বলেও জানান তিনি।
জয়া আহসানের ভাষ্য, ‘আমি যখন যে ধরনের চরিত্রে কাজ করি, তার মানসিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটটা বোঝার চেষ্টা করি। “ওসিডি” করার সময় নিয়ে রীতিমতো চর্চা করেছি। শিশুদের প্রতি যৌন আকর্ষণ কোন মানসিক অসুস্থতার লক্ষণ, কী থেকে হয়- এগুলো না জানলে এমন বিষয় নিয়ে কাজ করাটা মুশকিল। এই ছবি সমাজের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করছে। তাই প্রস্তুতিটা জরুরি। আসলে যেখানে শিশুরা জড়িয়ে থাকে, দায়িত্বটা অনেক বেড়ে যায়।’
এ প্রসঙ্গেই উঠে আসে বিশ্বজুড়ে আলোচিত এপস্টেইন ফাইলস। প্রভাবশালী বহু ব্যক্তির নাম জড়িয়ে পড়া এই বিতর্ক প্রসঙ্গে জয়া জানান, পিডোফিলিয়া একটি গুরুতর মানসিক অসুস্থতা।
তার কথায়, ‘একটা বাচ্চা দেখলে সাধারণ মানুষের মনে মায়া জন্মায়, স্নেহ জন্মায়। কিন্তু, কিছু মানুষের শিশুদের দেখলে যৌন আকাঙ্ক্ষা জন্মায়। তারা ওই শরীরের ভেতরটা দেখতে চায়। আসলে এটা তো একটা অসুস্থতা।’
এও জানান, দুঃখজনক হলেও সত্য- এত গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল বিষয় নিয়ে বাংলা সিনেমায় এখনো তেমনভাবে কাজ হয়নি।
শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে জয়া আহসান বলেন, ‘এই পৃথিবী শিশুদের জন্য অসম্ভব অনিরাপদ। আমি চাইলে কিন্তু সন্তান দত্তক নিতে পারি। তার জন্য সন্তান জন্ম দেওয়ার প্রয়োজন পড়ে না। কিন্তু বাধা একটাই। একটা শিশুকে পৃথিবীতে আনলে তার জন্য একটা নিরাপদ জায়গা করে দিতে হবে। কিন্তু মানুষ প্রতিনিয়ত “আমি আমি” করে চলছে।’
বলা দরকার, সৌকর্য ঘোষাল পরিচালিত সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার ‘ওসিডি’ সিনেমাটি আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে।
© Jonotar Potrika ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
সতর্কতাঃ অনুমতি ব্যতীত কোন সংবাদ বা ছবি প্রকাশ বা ব্যবহার করা যাবে না।