প্রতিবেদন প্রকাশ: ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, সময়ঃ ০২:৪১
ঢাকা অফিস :
ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম দিন আজ। ফেব্রুয়ারি মানেই ভাষার মাস। ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি মায়ের ভাষা বাংলাকে রক্ষায় ১৪৪ ধারা ভেঙে রাজপথে নামেন সালাম, জব্বার, শফিক, বরকত ও রফিকসহ বাংলার দামাল ছেলেরা। তাদের সাহসিকতা ও বুকের তাজা রক্তের বিনিময়ে সেদিন মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছিল বাঙালি জাতি।
এটি শুধু ভাষার মর্যাদা রক্ষায় সীমাবদ্ধ থাকেনি, হয়ে ওঠে জাতীয়তাবাদের প্রেরণা। আর সেই প্রেরণা নিয়ে বাঙালি এগিয়ে যায় স্বাধীকার আন্দোলনের দিকে, ছিনিয়ে আনে স্বাধীনতার লাল সূর্য। শোকাবহ এ মাসের সঙ্গে জড়িয়ে আছে গৌরব আর অহঙ্কারের অধ্যায়।
মহান একুশে ফেব্রুয়ারি এখন আর দেশের আঙিনায় সীমিত নয়। দিনটি পালিত হয় সারা বিশ্বে, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে। ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেসকো একুশেফেব্রুয়ারি দিনটিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ ঘোষণা করে। এর মধ্যদিয়ে একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে এখন বিশ্বের দেশে দেশে পালিত হয়।
এবারের ভাষার মাসটি এসেছে ভিন্ন প্রেক্ষাপটে।
ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পর চলতি বছর এ মাসের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এর মধ্য দিয়ে দেশ এগিয়ে গণতন্ত্রে উত্তোরণের পথে। জাতি এ মাসেই একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জনতার রায়ে নির্বাচিতনতুন গণতান্ত্রিক সরকার পেতে চলেছে। কাজেই এবারের ফেব্রুয়ারি জাতীয় জীবনে যুক্ত করবে নতুন এক অধ্যায়।
এ দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনে নির্বাচিত সরকার গ্রহণ করবে ইতিবাচক পদক্ষেপ, দেশকে এগিয়ে নেবে সমৃদ্ধি পথে। এবারের ভাষার মাস বাংলাদেশের জন্য নিয়ে এসেছে নতুন আশা।
© Jonotar Potrika ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
সতর্কতাঃ অনুমতি ব্যতীত কোন সংবাদ বা ছবি প্রকাশ বা ব্যবহার করা যাবে না।